আপিল করে এইমাত্র মুরাদনগরে যা ফিরে পেলেন বিএনপি নেতা মজিবুল !


কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়ে যাওয়া বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া কে এম মজিবুল হক আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে শুনানিতে মজিবুলের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

গত রবিবার যাচাইবাছাইয়ে বাদ পড়ে যাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে যারা আপিল করেছেন তাদের আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে, চলবে শনিবার পর্যন্ত।

রবিবার যাচাই বাছাই কালে মজিবুল হকের দাখিল করা মনোনয়নপত্রে আয়কর সদন দাখিল না করায় সেটি বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল ফজল মীর।

এরপর প্রার্থিতা ফিরে পেতে গত ৩ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মজিবুল। তিনি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দ-িত বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের ছোট ভাই।

এই আসনে বিএনপির আরও একজন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। তিনি হলেন দলের স্থানীয় কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়ার স্ত্রী। এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন।

যাচাই বাছাইয়ে দলের সব প্রার্থী বাদ পড়ে গেলেও আপিলে বগুড়া-৭ আসনে প্রার্থী পেয়েছে বিএনপি। রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করে দিলেও মোরশেদ মিল্টনকে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই আসনটি থেকে নির্বাচন করতেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বুধবার কমিশনের ট্রাইব্যুনালে আপিল শুনানিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সিইসি কে এম নুরুল হুদা ও অন্য নির্বাচন কমিশনাররা শুনানিতে বক্তব্য শুনছেন।

গত রবিবার মোরশেদ মিল্টনসহ এই আসনে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া তিন জনের প্রার্থিতা বাতিল করে দেন বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহম্মেদ।

এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিল হয় দুর্নীতির মামলায় তার ১৭ বছরের কারাদণ্ড হওয়ায়। সরকার বাদলের প্রার্থিতা বাতিল হয় তিনি শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ না ছেড়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায়। মিল্টন ছিলেন গাবতলী উপজেলার চেয়ারম্যান। তিনি পদ ছেড়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও যাচাইবাছাইয়ের সময় পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার নথি জমা দিতে পারেননি। ফলে এই আসনে বিএনপির কোনো বৈধ প্রার্থী ছিল না সেদিন।

তবে মিল্টন আপিলে দেখিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং সেটা গৃহীতও হয়েছে। পরে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়া এবং সরকার বাদলও প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছন। তবে বাদলের আবেদন নাকচ হয়ে গেছে। খালেদা জিয়ার বিষয়ে শুনানি হবে শনিবার।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*