ব্রেকিং! ব্রেকিং! বিএনপির জনসভা এইমাত্র স্থগিত !


জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ১০ ডিসেম্বর বেলা দুইটায় ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করবে বলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঘোষণা দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় সেই জনসভা স্থগিতের ঘোষণা এল।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভীর এ ঘোষণার পর সন্ধ্যায় এক বৈঠক শেষে জনসভা স্থগিতের ঘোষণা দেন বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ভোটের প্রচারের মধ্যে জনসভার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রথম আলোকে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সভা-সমাবেশ করা একটি রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার। এখন তো কোনো জরুরি অবস্থা চলছে না যে সভা-সমাবেশ করা যাবে না। নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করা যাবে না, ঠিক আছে।

কিন্তু দলীয় সভা-সমাবেশ করতে তো কোনো নিষেধ নেই। তিনি বলেন, বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ করতে, মিথ্যা মামলা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জনসভা করবে। সেখানে তো ভোটের প্রচার বা ভোট চাওয়ার জন্য জনসভা হবে না।

রিজভীর ঘোষণার আট ঘণ্টার মাথায় সন্ধ্যায় মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে জোটের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল বলেন, ১০ ডিসেম্বর জনসভা হবে না। এটি পরে হবে।নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে এক দিন আগে পর্যন্ত হতাশা প্রকাশ করে আসা ফখরুল আপিল ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “রিটার্নিং অফিসাররা আমাদের দলের যাদের অবৈধ ঘোষণা করেছিল, নির্বাচন কমিশনের শুনানির মধ্য দিয়ে তাদের অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই তারা ন্যায়বিচার করেছেন। “এথেকে আরেকটি বিষয় প্রমাণিত হয়, কমিশন যে সমস্ত কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব

দিয়েছিলেন, সেখানে প্রার্থী ন্যায়বিচার পাননি। আমরা বরাবরই যে কথা বলে আসছি, সরকারি কর্মকর্তারা যে সরকার দায়িত্বে থাকে, তাদের কথা বেশিরভাগ সময় মেনে চলতে হয়। সে কারণে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ন্যায়বিচার করা সম্ভব হয় না।” ধানের শীষের আংশিক চূড়ান্ত তালিকা – এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব জানান, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে ধানের শীষের আংশিক প্রার্থী তালিকা বৃহস্পতিবারই প্রকাশ করা হবে।

“আমরা আশা করছি যে আজ রাত ৮টার পরে কিছু আংশিক তালিকা দিতে পারব।” সরকারের সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, “আজকে সরকার এত ভীত সন্ত্রস্ত যে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছে এই নির্বাচনে। উদ্দেশ্যে নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। “সারাদেশে গ্রেপ্তার চলছেই, কোথাও কোথাও বাড়ছে। আজকে খবর এসেছে, বিএনপি

কোথাও কোথাও সাংগঠনিক ঘরোয়া সভা করছে, সেখানেও বাধা দিচ্ছে।” “আবারো বলছি, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন, দলগুলোর যে অধিকার আছে, তা প্রয়োগ করার সুযোগ দিন, গ্রেপ্তার বন্ধ করুন,” বলেন তিনি। সূত্র – বিডিনিউজ২৪

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*