এইমাত্র পাওয়া ! হাতে ধানের শীষ , মুখে ধানের শীষের স্লোগান নিয়েই ঢলে পড়লেন তিনি ! অতঃপর যা হলো


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনের রেখে হাতে ধানের শীষের আঁটি নিয়ে রাস্তায় নেমে মুখে ‌‘ধানের শীষ, ধানের শীষ’ স্লোগান দিতে দিতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন হায়াদর মণ্ডল (৭০) নামের এক বৃদ্ধ। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালের দিকে বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম ইউনিয়নের অদ্দিরকোলা বাজারে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে সাবগ্রাম ইউনিয়নের অদ্দিরকোলা বাজারে সদর উপজেলা বিএনপির ধানের শীষের পক্ষে নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। কর্মসূচিতে অংশ নিতে ধানের শীষের আঁটি হাতে নিয়ে মিছিলে যোগ দেন হায়দার মণ্ডল। মিছিল শুরু হওয়ার পর তিনি ‌‘ধানের শীষ, ধানের শীষ’ স্লোগান দিতে থাকেন বৃদ্ধ হায়দার

মণ্ডল। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই হৃদক্রিয়া বন্ধ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়েন হায়দার মণ্ডল। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধ হায়দার মণ্ডলকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় ইউনিয়ন

বিএনপির আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ নয়ন সহ অন্যান্য নেতারা নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে শোক জানান ও তার পরিবারকে কিছু নগদ টাকা সহায়তা করেন তারা।

খালেদার পরিণতি দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির মীর নাছির, মীর হেলাল, টুকু, দুলু ও ডাক্তার জাহিদের মতো হবে ভেবেই বিএনপির আইনজীবীরা আদালতে এসে টালবাহানা করছেন বলে মন্তব্য করেন অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তিনি বলেন, যেহেতু দণ্ডপ্রাপ্তরা আবেদন করার পর তা রিজেক্ট (বাতিল) হয়েছে। তারা আর নির্বাচন করতে পারছেন না, খালেদারটাও রিজেক্ট হবে বুঝতে পেরেছেন। বুঝতে পেরেই খালেদার আইনজীবীরা টালবাহানা করছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে অ্যার্টনি জেনারেলের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন মাহবুবে আলম। অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাসির, মীর মোহাম্মদ হেলাল, হাসান মাহমুদ টুকু, রুহুল কুদ্দুস দুলু এবং ড. এ জেড এম জাহিদ নির্বাচন

করতে পারবেন না। দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে তারা হাইকোর্ট থেকে কোনো আদেশ পাননি বা পেলেও সুপ্রিম কোর্টে তা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে, তারা নির্বাচন করতে পারছেন না। খালেদারও বিএনপি নেতাদের মতো পরিণতি হবে। তাই তারা (বিএনপির আইনজীবী) এমন টালবাহানা করছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘আমি আদালতে স্পষ্ট করে বলেছি, ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি কোনোমতেই নির্বাচন করতে পারবেন না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ হওয়ার পর তারা এসব করছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা যে আপত্তি তুলেছে সেটি সকালে বলেনি, বেলা ১১টায় বলেনি, ১টার সময়ও বলেনি, পরে এসে মামলা শুনানির সময় এসে বলেছে, মামলাটিকে ঝুলিয়ে রাখা একটা টালবাহানা। আদালতে তারা কোনো অনাস্থা (নো-কনফিডেন্স) জানাননি। তারা সঠিক কথা বলছেন না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*